Accessibility links

Breaking News

দুই আমেরিকা মহাদেশ, বিগত খারাপ দুইটি বছর কাটিয়ে উঠছে


যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে লস অ্যাঞ্জিলিস , ক্যালিফোর্নিয়ায় , দুই আমেরিকা মহাদেশের সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ( ফাইল ছবি)

বিশ্ব দুই বছর ধরে কোভিড-১৯ মহামারী, লকডাউন ও সামাজিক দুরত্ব, এবং তৎপরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দার বীভৎসতায় ভুগেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন, কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট মৃত্যুর ৪০ শতাংশ নিয়ে দুই আমেরিকা মহাদেশের মত, পৃথিবীর আর কোন অঞ্চলই মহামারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিণতি উপলব্ধি করতে পারেনি – যার মধ্যে দারিদ্র্য বৃদ্ধি ও তরুণদের কর্মহীন হয়ে পড়ার মত পরিস্থিতি রয়েছে।

তিনি বলেন “এই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা চ্যালেঞ্জগুলোর উপর অতিরিক্ত বোঝা হিসেবে এই প্রতিকূলতার সৃষ্টি হয়েছে, যেই চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে সুযোগের অভাব, ক্রমবর্ধমান জলবায়ু সংকট, সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতা, ব্যাধির মতো দুর্নীতি রয়েছে।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেন বলেন, “এই অঞ্চলের মানুষ যতই এসব চ্যালেঞ্জ নিজেদের জীবনে অনুভব করতে পারছেন, ততই সেসব সমস্যা সমাধানে তারা কার্যকর শাসনব্যবস্থা সন্ধান করছেন।এই কারণেই আমেরিকার [যুক্তরাষ্ট্রের] জনগণ ও বেসরকারি খাতগুলো, এই গোলার্ধজুড়ে অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধির জন্য অন্য যে কোন দেশের চাইতে বেশি বিনিয়োগ করা অব্যাহত রেখেছে – যার মধ্যে নারী উদ্যোক্তাদের কম সুদে ঋণ প্রদানকারী প্রকল্পগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ডেভেলপমেন্ট ফিন্যান্স কর্পোরেশনের সরবরাহকৃত ১০০ কোটি ডলার থেকে আরম্ভ করে, উদাহরণস্বরূপ, সেই ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি ডলার রয়েছে যা যুক্তরাষ্ট্র বার্ষিক সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ হিসেবে দুই আমেরিকা মহাদেশে বিনিয়োগ করে।

পশ্চিমা গোলার্ধ বিষয়ক উপ-সহকারি সচিব, কেরি হ্যানান বলেন, “[লাতিন আমেরিকার] মানুষরা যে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে সে কারণে সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর [তাদের] আস্থা হ্রাস পেয়েছে।” এর অর্থ হল যে, লাতিন আমেরিকার গণতান্ত্রিক সরকারগুলোকে এগিয়ে এসে নিজেদের দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ। এবং অবশ্যই, অন্যান্য দেশও বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগের প্রস্তাব করে। উপ-সহকারি সচিব হ্যানান বলেন, এমন বিনিয়োগ “খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা মানুষের উপকার করে। কিন্তু, বিনিয়োগের বেশে ঋণের ফাঁদগুলো এড়িয়ে চলাও গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি বলেন,“আপনারা জানেন, আপনি যখন কোন প্রকল্পে স্বাক্ষর করেন আর তাতে শর্ত জুড়ে দেওয়া থাকে … কোন পরিষ্কার ঋণে, অথবা আপনাকে আসলেই সেতুটি তৈরি করতে হবে দেখে আপনাকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়। … তখন সেটা আসলে কোন ন্যায্যা পরিস্থিতি না।”

উপ-সহকারি সচিব হ্যানান বলেন, “এই অঞ্চলে আমাদের সহযোগী ও মিত্রদের সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা হল এটা নিশ্চিত করা যে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো আছে … যে অবকাঠামো তৈরির যে কোন প্রকল্প বা … এই অঞ্চলে অন্য পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রটি ন্যায্য।এই পন্থাতেই আমরা সরকারগুলোকে নিজেদের মানুষকে আরও ভালোভাবে সেবা দেওয়া অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারব।”

[এই সম্পাদকীয়তে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মতামত প্রতিফলিত হয়েছে]

XS
SM
MD
LG